সোনারপুরে জামাইবাবুর ছুরির কোপে নিহত শ্যালক
দি নিউজ লায়ন ; শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি হাতানোর জন্য স্ত্রীকে মারধোরের অভিযোগ উঠত স্বামীর বিরুদ্ধে। এরই প্রতিবাদ করেছিলেন শ্যালক। অভিযোগ,এর জেরে শ্যালককে ছুরি নিয়ে আচমকা আক্রমণ করে জামাইবাবু। ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় সুভাষগ্রাম গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখান থেকে তাকে পাঠানো হয়েছিল কলকাতার এস এস কে এম হাসপাতালে।
প্রায় তিন মাস লড়াইয়ের পর শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। মৃতের নাম দিপেন দাস(২৬) ঘটনাটি ঘটে সোনারপুর থানার ধামাইতলা স্কুল রোডে। সোনারপুর থানার পুলিশ তদন্তে নেমে শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত জামাইবাবু সনাতন মিত্র। স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে খবর,২০১১ সালে লক্ষ্মী দাসের সাথে পাটুলির বাসিন্দা সুরজিত মিত্রের বিয়ে হয়।
অভিযোগ,শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি হাতানোর জন্য প্রায় লক্ষ্মী দাস কে মারধোর করত তার স্বামী। শ্বশুরবাড়ির সবাই মারধোর করত। বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দিত। এই দিদিকে মারধোরের প্রতিবাদ করেছিল ভাই দিপেন দাস। গত ১৫ সেপ্টেম্বর সকালে বাড়িতে এসে জামাইবাবু সনাতন মিত্র নাম ধরে দিদিকে বাড়ির বাইরে ডেকে এনে অপমান করে। দিদির অপমানের প্রতিবাদ করতে ভাই বেরিয়ে এলে তাকে অতর্কিতে ছুরি মারে অভিযুক্ত জামাইবাবু।

Post a Comment